শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০০৮

সিরাতুল মুস্তাকিম


সিরাতুল মুস্তাকিম



কোনো বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা না থাকলে সে বিষয়ে মতামত প্রকাশ করা সমীচীন নয়। তাই যুক্তিবাদীরা মনে করেন অজ্ঞাত ও অস্পষ্ট বিষয়ে মত প্রকাশ করা উচিত নয়।

সুতরাং ধর্মীয় গোঁড়ামি ও চরমপন্থাকে আমাদের ওই পরিপ্রেক্ষিতেই বিচার করতে হবে। এর ভালো বা মন্দ বিচারের আগে এর প্রকৃত তাৎপর্যন্ত জানতে হবে। এ জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন এর বাস্তবতা ও বৈশিষ্ট্যগুলোর বিশ্লেষণ। আক্ষরিক অর্থে, উগ্রতাবাদ বা চরমপন্থার অর্থ হচ্ছে কেন্দ্র থেকে সম্ভাব্য সর্বশেষ প্রান্তে অবস্থান। বাহ্যত, এটা ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ, চিন্তাধারা তথা আচার-আচরণের ক্ষেত্রে অনুরূপ দূরত্বে অবস্থানের দিকেই অঙ্গুলি নির্দেশ করে। চরমপন্থার একটি অন্যতম পরিণাম হচ্ছে এটি সমাজকে বিপজ্জনক ও নিরাপত্তাহীন পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দেয়। অথচ ঈমান, ইবাদত, আচার-আচরণ, আইন-বিধি তথা জীবনের সর্বক্ষেত্রে ইসলাম মধ্যম সুষমপন্থা অবলম্বনের সুপারিশ করেছে। এটাকেই আল্লাহতায়ালা ‘সিরাতুল মুস্তাকিম’ বা সহজ-সরল পথ বলে উল্লেখ করেছেন। এ পথের একটি সুনির্দিষ্ট ও সু্‌স্পষ্ট বৈশিষ্ট হচ্ছে, এর বিপরীত যত মত-পথ রয়েছে তার অনুসারীরা আল্লাহর গজবে পতিত হয়েছে। মোট কথা, আল্লাহর নির্দেশিত সিরাতুল মুস্তাকিমই হচ্ছে সুপথ আর এর উল্টো পথই হচ্ছে কুপথ বা বিপথ। তাই মধ্যম বা ভারসাম্যময় পন্থা ইসলামের শুধু সাধারণ বৈশিষ্ট্য নয়, বরং এর মধ্যেই ইসলামের মৌলিক পরিচয় নিহিত। এ প্রসঙ্গে কুরআনের ঘোষণাঃ ‘এমনিভাবে আমরা তোমাদেরকে একটি মধ্যপন্থী উম্মাহ হিসেবে সৃজন করেছি যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষী হবে আর রাসূল সাঃ তোমাদের জন্য সাক্ষী হবেন।’ (২ঃ১৪৩)

এ দৃষ্টিতে, মুসলিম উম্মাহ একটি সুবিচারপূর্ণ ও ভারসাম্যপূর্ণ পন্থার পথিক। একইভাবে এই জাতি ইহলৌকিক ও পারলৌকিক জীবনে সরল পথ থেকে মানুষের প্রতিটি বিচ্যুতির বিরুদ্ধে সাক্ষী। ইসলামের এমন কিছু পরিভাষা রয়েছে যাতে মধ্যপন্থা অবলম্বনের এবং সব ধরনের চরমপন্থা ও হঠকারিতা প্রত্যাখ্যান ও পরিহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। যেমন গুলু (বাড়াবাড়ি), তানাতু (উগ্রতা) ও তাশদিদ (কঠোরতা)­ এই পরিভাষাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, ইসলাম বাড়াবাড়িতে শুধু নিরুৎসাহিত করেনি, বরং এর বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। নিØোক্ত হাদিসগুলোতে এর সত্যতা পাওয়া যায়।

১. ‘ধর্মে বাড়াবাড়ি সম্পর্কে সাবধান! তোমাদের পূর্ববর্তী (জাতিগোষ্ঠী) এরূপ বাড়াবাড়ির পরিণামে নিশ্চিহ্ন হয়েছে।’ (আহমাদ, নাসাঈ ও ইবনে মাজাহ) এখানে জাতি বলতে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী জাতিগোষ্ঠীকে বোঝানো হয়েছে। এর মধ্যে আহলে কিতাব বিশেষত খ্রিষ্টানরা উল্লেখযোগ্য। এদের সম্বোধন করে আল-কুরআন বলছেঃ ‘বলুন, হে আহলে কিতাব! তোমরা তোমাদের দ্বীন সম্বন্ধে অন্যায় বাড়াবাড়ি কোরো না; এবং যে সম্প্রদায় অতীতে বিপথগামী হয়েছে এবং অনেককে বিপথগামী করেছে এবং সরল পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে তাদের স্বেচ্ছাচারিতার অনুসরণ কোরো না।’ (৫ঃ৭৭)

উপরিউক্ত কারণে মুসলমানদের বিপথগামীদের পথ অনুসরণ থেকে বিরত থাকার কঠোর তাগিদ দেয়া হয়েছে। যারা অন্যের ভুলভ্রান্তি থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে প্রকৃতপক্ষে তারাই অধিকতর সুখী। তদুপরি বাড়াবাড়ি বা সীমালঙ্ঘন (আল-গুলু) এমন অর্থহীন কর্মকাণ্ডে প্ররোচিত করে যার তাণ্ডব আমাদের অগোচরে বিস্তৃত হয়ে শেষ পর্যন্ত গোটা সমাজদেহকে একটা হুমকির মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়। হজরত মুহাম্মদ সাঃ বিদায় হজের সময় মুজদালিফায় পৌঁছে হজরত ইবনে আব্বাস রাঃ’কে কিছু প্রস্তরখণ্ড সংগ্রহ করতে বললেন। ইবনে আব্বাস রাঃ কিছু ক্ষুদ্র প্রস্তরখণ্ড সংগ্রহ করে আনলেন। রাসূলুল্লাহ সাঃ পাথরগুলোর আকার দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে বললেন, ‘হ্যাঁ, এই পাথরগুলোর মতোই ধর্মীয় ব্যাপারে বাড়াবাড়ি বা জবরদস্তি থেকে সাবধান।’ (ইমাম আহমাদ, আন-নাসাঈ, ইবনে কাছির ও হাশিম)। এ থেকে এটা পরিষ্কার হয়ে যায় যে, মুসলমানরা যেন অতি উৎসাহী হয়ে বড় পাথর ব্যবহারের মতো বাড়াবাড়িতে প্রবৃত্ত না হয়। ইমাম ইবনে তাইমিয়াও ঈমানের সাথে সংশ্লিষ্ট সব ক্ষেত্রে তথা ইবাদত ও লেনদেনের ব্যাপারে বাড়াড়ির বিরুদ্ধে সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি খ্রিষ্টানদের বিশ্বাস ও আচরণের ব্যাপারে সবচেয়ে সীমালঙ্ঘনকারী জাতি হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আল্লাহ পাকও কুরআনুল কারিমে তাদের ভর্ৎসনা করে বলেছেন, ‘ধর্মীয় বিষয়ে তোমরা সীমালঙ্ঘন কোরো না।’ (৪ঃ১৭১)

২. ‘তারা অভিশপ্ত, যারা চুল ফাঁড়তে (অর্থাৎ ক্ষুদ্র বিষয়ে) লিপ্ত এবং রাসূলুল্লাহ সাঃ তিনবার এই কথা উচ্চারণ করলেন।’ (মুসলিম, আহমাদ ও আবু দাউদ) ইমাম আননব্বী বলেন, ‘এখানে ‘চুল ফাঁড়তে’ লিপ্ত ব্যক্তিদের বলতে তাদের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে যারা কথায় ও কাজে সীমা অতিক্রম করে।’ উল্লিখিত দু’টি হাদিসে স্পষ্টত এ কথাই ব্যক্ত করা হয়েছে যে, বাড়াবাড়ি ও হঠকারিতার পরিণামে মানুষ সম্পূর্ণরূপে ইহলৌকিক ও পারলৌকিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে।

৩. রাসূলুল্লাহ সাঃ বলতেন, ‘নিজের ওপর এমন অতিরিক্ত বোঝা চাপিও না যাতে তোমার ধ্বংস হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তোমাদের পূর্ববর্তী জনগোষ্ঠী নিজেদের ওপর অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে ধ্বংস হয়েছে। তাদের ধ্বংসাবশেষ পুরাতন মঠ-মন্দিরে খুঁজে পাওয়া যায়।’ আবু ইয়ালা তার মসনদে আনাস ইবনে মালিকের বরাতে এবং ইবনে কাছির সূরা হাদিদের ২৭ আয়াতের তাফসিরে এই হাদিস উল্লেখ করেছেন। মহানবী হজরত মুহাম্মদ সাঃ সর্বদা ধর্মীয় বাড়াবাড়ির প্রবণতাকে প্রতিহত করতে চেয়েছেন। তিনি তার সাহাবিদের মধ্যে যাদের ইবাদত-বন্দেগিতে বাড়াবাড়ি করতে দেখেছেন, সংসার-ধর্ম পালনে বিমুখ দেখেছেন তাদের প্রকাশ্যে ভর্ৎসনা করেছেন। কারণ এ সবই হচ্ছে ইসলামের মধ্যপন্থার পরিপন্থী। ইসলাম দেহ ও আত্মার সুষম বিকাশ চায় অর্থাৎ মানুষের পূর্ণরূপে বেঁচে থাকার অধিকার এবং স্রষ্টাকে উপাসনা করার অধিকারের মধ্যে সমন্বয় চায়। মানুষের অস্তিত্বের যৌক্তিকতা এখানেই। এই আলোকে মানুষের আত্মিক পরিশুদ্ধি এবং ব্যক্তিগতভাবে ও সমষ্টিগতভাবে তার নৈতিক ও বৈষয়িক উৎকর্ষের লক্ষ্যে ইসলাম ইবাদতের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি নির্ধারণ করে দিয়েছে। এভাবে ইসলাম এমন এক সমাজ গড়তে চায় যেখানে ভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতি বিরাজ করবে এবং এটা করতে গিয়ে ইসলাম সমাজ, সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে না। তাই দেখা যায় নামাজ, রোজা ও হজের মতো ফরজ ইবাদতগুলোর একই সাথে ব্যক্তিগত ও সামাজিক ভূমিকা রয়েছে। স্বভাবত এই দায়িত্বগুলো পালন করতে গিয়ে একজন মুসলমান জীবনের মূলস্রোত থেকেও বিচ্ছিন্ন হয় না, আবার সমাজ থেকেও তাকে নির্বাসিত হতে হয় না। বরং ভাবগত, বাস্তব ও উভয় দিক দিয়ে সমাজের সাথে তার সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ হয়। এ কারণে ইসলাম বৈরাগ্যবাদকে অনুমোদন করে না। আর বৈরাগ্যবাদ মানে সমাজ থেকে নির্বাসন। সেখানে স্বাভাবিক সামাজিক জীবনের স্পন্দন থাকে না। ইসলাম চায়, এই স্বভাবসম্মত সামাজিক জীবনযাপনের মাধ্যমে মানুষ পবিত্রতা অর্জন করুক। সমাজের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে প্রতিটি মানুষ তার অবদান রাখুক। অর্থাৎ ইসলামের দৃষ্টিতে গোটা পৃথিবী মানুষের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্র। তাই সিরাতুল মুস্তাকিমের প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ মানুষের প্রতিটি কাজই ইবাদত ও জিহাদ বলে গণ্য করা হয়। ইসলাম অন্যান্য ধর্ম ও দর্শনের মতো মানুষের জৈবিক চাহিদাকে অস্বীকার করে তথাকথিত আধ্যাত্মিক সাধনায় তাকে মোটেও উৎসাহিত করে না। দেহের দাবিকে অস্বীকার বা উপেক্ষা করে আত্মার পরিশুদ্ধির স্থান ইসলামে নেই। এ ব্যাপারে কুরআনের ঘোষণা দ্ব্যর্থহীনঃ ‘হে আল্লাহ, আমাদের ইহকালকে সুন্দর করুন এবং সুন্দর করুন আমাদের পরকালকে।’ (২ঃ ২০১)

হাদিসেও আমরা একই বাণীর প্রতিধ্বনি শুনতে পাইঃ ‘হে আল্লাহ, আমার সব কাজকর্মের হিফাজতকারী ধর্মকে সঠিকরূপে উপস্থাপিত করুন; আমার জাগতিক কর্মকাণ্ডকে পরিশুদ্ধ করুন যেখানে আমি জীবন নির্বাহ করি এবং আমার পরকালীন জীবনকেও পবিত্র করুন এবং সার্বিক কল্যাণের লক্ষ্যে আমার জীবনকে প্রাচুর্যের উৎস বানিয়ে দিন এবং সব অপকর্ম থেকে আমাকে রক্ষা করে আমার মৃত্যুকে শান্তির উৎসে পরিণত করুন।’ (মুসলিম)

হাদিসে আরো বলা হয়েছে, ‘তোমার ওপর তোমার দেহের অধিকার রয়েছে।’ (সব প্রামাণ্য সূত্রে সমর্থিত) তদুপরি কুরআনুল কারিমে পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যকে উপেক্ষা করার প্রবণতা অনুমোদন করা হয়নি বরং এটাকে বান্দার প্রতি আল্লাহর দান বলে উল্লেখ করা হয়েছে। মক্কায় অবতীর্ণ একটি আয়াতে আল্লাহ পাক বলছেনঃ ‘হে আদম সন্তানরা! সুন্দর পরিচ্ছদে ভূষিত হও সব সময় এবং নামাজের স্থানেও। খাও ও পান করো কিন্তু অপচয় কোরো না। আল্লাহ অপচয়কারীকে ভালোবাসেন না।’

‘বলুন, আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জীবিকা সৃষ্টির জন্য যেসব শোভন বস্তু এবং বিশুদ্ধ ও পবিত্র জীবিকা সৃষ্টি করেছেন তাকে কে নিষিদ্ধ করেছে?’ (৭ঃ৩২)। মদিনায় অবতীর্ণ একটি সূরায় আল্লাহতায়ালা বিশ্বাসীদের সম্বোধন করে বলছেনঃ ‘হে ঈমানদাররা! আল্লাহতায়ালা যেসব উৎকৃষ্ট বস্তু তোমাদের জন্য হালাল করেছেন তাকে তোমরা হারাম কোরো না এবং সীমালঙ্ঘন কোরো না। আল্লাহ সীমালঙ্ঘনকারীকে পছন্দ করেন না। আল্লাহ তোমাদের যে হালাল ও উৎকৃষ্ট জীবিকা দিয়েছেন তা থেকে আহার করো আর আল্লাহকে ভয় করে চলো যাঁর প্রতি তোমরা ঈমান এনেছ।’ (৫ঃ ৮৭-৮৮)

এসব আয়াতে ঈমানদারদের কাছে পবিত্রতা অর্জনের প্রকৃত ইসলামি পথ বাতলে দেয়া হয়েছে এবং অন্যান্য ধর্মে যেসব বাড়াবাড়ি রয়েছে সেরূপ প্রবণতা থেকে মুসলমানদের নিবৃত্ত করা হয়েছে। এই আয়াত দু’টির শানে নুজুলও এখানে লক্ষণীয়। একদল সাহাবি নিজেদের খোজা করে দরবেশ হয়ে ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছে ব্যক্ত করলে এই আয়াত নাজিল হয়।

ইবনে আব্বাস রাঃ বলেন, ‘একটি লোক রাসূলুল্লাহ সাঃ-এর কাছে এসে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল, আমি যখনই এই গোশতগুলো খাই তখনই আমার কামপ্রবৃত্তি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে, তাই আমি গোশত না খাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ এবং এর পরপরই আয়াত নাজিল হয়। আনাস ইবনে মালিক রাঃ বর্ণনা করেন, ‘একদল লোক নবী সহধর্মিণীদের কাছে এসে রাসূলুল্লাহ সাঃ-এর ইবাদত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। এ ব্যাপারে অবহিত হওয়ার পর তারা তাদের ইবাদত-বন্দেগিকে অপর্যাপ্ত বিবেচনা করে একজন বললেন, আমি সর্বদা সারারাত নামাজ পড়ব; আরেকজন বললেন, আমি সারাবছর রোজা রাখব এবং কখনো ভাঙবো না। এ সময় আল্লাহর নবী তাদের কাছে এলেন এবং বললেনঃ আল্লাহর শপথ, আল্লাহর প্রতি আনুগত্য আমারই সবচেয়ে বেশি এবং তাঁকে বেশি ভয় করি তোমাদের চেয়ে; তথাপি আমি রোজা রাখি এবং ভাঙ্গিও, আমি ঘুমাই এবং নারীকে বিয়ে করি। সুতরাং যে আমার সুন্নাহকে অনুসরণ করে না সে আমার অনুসারীদের অন্তর্ভুক্ত নয়।’

প্রকৃতপক্ষে রাসূলুল্লাহ সাঃ-এর সুন্নাহর মধ্যেই ইসলামের ধ্যানধারণা এবং তার বাস্তব রূপায়ণের সমগ্র চিত্র ফুটে উঠেছে। এতে আল্লাহর প্রতি, পরিবারের প্রতি, নিজের প্রতি, তথা প্রতিটি ক্ষেত্রে দায়িত্ব ও কর্তব্যের এক সুষম ও সমন্বিত রূপ মূর্ত হয়েছে।


ড. ইউসুফ আল কারজাভি


November 07, 2008



কোন মন্তব্য নেই: